শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী ও সারজিস আলম সহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শায়েস্তাগঞ্জে পানিতে ডুবে ২ ভাইয়ের মৃত্যু হুইপ জি কে গউছের প্রচেষ্টায় ঢাকা-সিলেট ৬ লেন মহাসড়ক নির্মাণে দীর্ঘদিনের জটিলতার অবসান ঘটবে নবীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ সদস্য আহত বানিয়াচং উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন আগামীকাল মাধবপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২ শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নতুন ইউএনও মোঃ আসাদুজ্জামান চুনারুঘাটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ জেলা ছাত্রদল সভাপতি রিংগনসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে ১’শ জনের বিরুদ্ধে এনসিপির মামলা নবীগঞ্জে পথসভা শেষে বিএনপি ও জাসাস নেতার মধ্যে বাকবিতন্ডা ও সংঘর্ষ ॥ আহত ২০

বানিয়াচঙ্গের নয়াপাথারিয়া গ্রামের ডাবল মার্ডার মামলার আসামী যুবদল নেতা কুহিনুর আলম কারাগারে

  • আপডেট টাইম সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫৫০ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বানিয়াচং উপজেলার নয়াপাথারিয়া গ্রামে ডাবল মার্ডার মামলায় যাবত জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কুহিনুর আলমকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। রবিবার সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহরিয়ার কবিরের আদালতে হাজির হলে বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণ করার আদেশ দেন। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি ছিলেন সরোয়ার আহমেদ চৌধুরী ও বাদী পক্ষের আইনজীবি ছিলেন অ্যাডভোকেট সফিউল আলম। জেলা যুবদল নেতা কুহিনুর আলমকে কারাগারে পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করেন্যাডভোকেট সফিউল আলম। এর আগে মামলার আসামী বানিয়াচং উপজেলার পাথারিয়া গ্রামের শমছু মিয়া, ইদু মিয়া, সিরাজ মিয়া, কাজল মিয়া ও চান মিয়া দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হাজির হলে বিজ্ঞ বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরণ করেন। দন্ডপ্রাপ্ত অপর ৪ আসামী তারা মিয়া, সুজন মিয়া, নজীর মিয়া, মিজানুর আলম পলাতক রয়েছেন। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ২০১১ সালের ২৮ মার্চ বিকেল ৫টার দিকে উল্লেখিত আসামীরা সাবেক মেম্বার সাজেল মিয়ার উপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় সিপাই মিয়া, মর্তুজ আলীসহ স্থানীয় লোকজন তাদের রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসেন। এ সময় আসামীরা তাদের উপরও হামলা চালায়। পরে এ নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে সিফাই মিয়া মারা যান। আর গুরুতর আহত মর্তুজ আলী চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনার দু’দিন পর হাসপাতালে মারা যান। এ ঘটনায় সিফাই মিয়ার ছেলে তাজুল ইসলাম বাদি হয়ে বানিয়াচং থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় জেলা যুবদল নেতা কুহিনুর আলম, মক্রমপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা তারা মিয়া মেম্বারসহ ৪৮ জনকে আসামী করা হয়। মামলাটি সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য স্থানান্তরিত করা হয়। উক্ত আদালত আসামীদের ২০১৩ সালে খালাস দেন। পরবর্তীতে বাদিপক্ষ হাইকোর্টে আপিল করলে আদালত খুন করার অপরাধে ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করেন। এর মাঝে কুহিনুর আলম, তারা মিয়া, সুজন মিয়া, সমছু মিয়া, কাজল মিয়া, সিরাজ মিয়াকে যাবজ্জীবন ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের জেল এবং ইদু মিয়া, চান মিয়া, নজীর মিয়া ও মিজানুর আলমকে ১০ বছরের কারাদন্ড প্রদান করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com