শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন সবজির দাম বেড়েছে ॥ জনদূর্ভোগ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত নবীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা আজ বানিয়াচং মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন দীঘলবাগে কৃষকদল নেতা জামাল আ.লীগ নেতা শাহীদের বিরুদ্ধে আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর দখলের অভিযোগ শহরের বিভিন্ন বাজারে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ নবীগঞ্জের চোখ হারানো আলিফের পরিবারের পাশে এনসিপি ॥ মায়ের খোঁজ নিলেন নেতৃবৃন্দ মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার বাহুবলের সাটিয়াজুরি বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিবাদ সমাবেশ মাধবপুরে মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ভিকটিম উদ্ধার

নবীগঞ্জের সাংবাদিক জুনাইদ হত্যা মামলার ৭ বছর ॥ মামলার শুনানী আজ ॥ বিচারের অপেক্ষায় পরিবার ও সহকর্মী সাংবাদিকবৃন্দ

  • আপডেট টাইম রবিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৯
  • ৮৩৩ বা পড়া হয়েছে

 

ছনি চৌধুরী, নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ নবীগঞ্জের বহুল আলোচিত সাংবাদিক জুনাইদ আহমদ হত্যা মামলার রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন তার পরিবার ও সহকর্মী সাংবাদিক মহল। দীর্ঘ সাত বছর পর আজ (২৮ জুলাই) রবিবার হবিগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালতে এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত শুনানি শেষে বিচারের রায়ের দিন ধার্য্য করা হবে। জুনাইদের পরিবার ন্যায় বিচার পাবার আশায় রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১২ ইং সালের ১০ জুলাই সাংবাদিক জুনাইদ আহমদ বাড়ি থেকে বের হয়ে জেলা সদর হবিগঞ্জে যান। ওই রাতেই দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে লাশের আলামত নষ্ট করার জন্য শায়েস্তাগঞ্জ রেল লাইনে ফেলে রাখে। পরদিন ১১ জুলাই সকালে সাংবাদিক জুনাইদ আহমদের মৃতদেহ প্রায় ২০ টুকরা অবস্থায় রেলওয়ে পুলিশ উদ্ধার করে। ঘটনার শুরুতেই জুনাইদ আহমেদের পরিবার এটাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবী করে আসছিল। এক পর্যায়ে মোবাইল ফোনের কল লিস্টের সূত্র ধরে জুনাইদের ভাই মোজাহিদ আহমদ বাদী হয়ে হবিগঞ্জের বিজ্ঞ আদালতে একই গ্রামের ফরিদ উদ্দিনকে প্রধান আসামী করে ৪ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে আদালত মামলাটি এফআইআর গণ্যে রুজু করার জন্য জিআরপি থানা পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করেন। মামলার খবর পেয়েই প্রধান আসামী ফরিদ লন্ডনে পালিয়ে যায়। অপর আসামীরাও আত্মগোপন করে। এদিকে পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকায় জুনাইদের পরিবার তৎকালিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহি-উদ্দিন খান আলমগীরের কাছে উক্ত হত্যাকাণ্ডের বিচার ও আসামীদের গ্রেফতারের আবেদন করেন। মন্ত্রী এক মাসের মধ্যে আসামীদের গ্রেফতারে সংশ্লিষ্ট পুলিশকে নির্দেশ দিলেও কোন ফল হয়নি। এক পর্যায়ে নিহত জুনাইদের পরিবারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাহুবল থেকে পুলিশ মামলার ২নং পলাতক আসামী আব্দুল হামিদকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। পরে রেলওয়ে পুলিশ শ্রীমঙ্গল জোনের তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডের আবেদন করে তাকে ৩ দিনের রিমান্ডে নেয়। রিমান্ডে নিয়ে ওই কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডে কোন প্রকার ক্লু উদঘাটন না করে আসামীদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ উঠে। এরই প্রেক্ষিতে জুনাইদের পরিবার বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি সোহরাব হোসেন এর নিকট অভিযোগ দিলে তিনি নিহত সাংবাদিকের পরিবারকে শান্তনা দিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের আশ্বাস প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে ডিআইজি সোহরাব হোসেন শায়েস্তাগঞ্জে পৌঁছেন। তিনি এ সময় বলেন-সাংবাদিক জুনাইদ আহমদ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কারো সাথে আপোষ হবে না। প্রয়োজনে সংঘবদ্ধভাবে পলাতক আসামীকে আটক করে পুলিশকে জানানোর জন্য সাংবাদিকসহ সুশীল সমাজের প্রতি আহ্বান জানান। এ মামলার প্রধান আসামী ফরিদ লন্ডনে পলাতক, অপর আসামী বাহুবলের মাদক সম্রাট আব্দুল হামিদকে স্থানীয় জনতা আটক করে উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। প্রায় বছর খানেক জেল খেটে বের হলে স্থানীয় লোকজন তার অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে গণপিটুনি দিয়ে মেরে পেলেন। ৩য় আসামী বাদশা ৬মাস জেল কাটার পর জামিনে মুক্তি পায়। ৪র্থ আসামী রাহুলও ৬ মাস জেল কাটার পর জামিনে মুক্ত রয়েছে।
সাংবাদিক জুনাইদ হত্যা মামলার বাদী মোজাহিদ আহমদ বলেন, আমি আশাবাদী শুনানী শেষে রায়ের তারিখ শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। আমরা মামলায় আমি আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করছি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com