বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

পিঠা বিক্রির টাকায় চলে মনু’র সংসার

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০১৪
  • ৪৮৪ বা পড়া হয়েছে

নুরুল আমিন, চুনারুঘাট থেকে ॥ সামান্য কিছু পিঠা বিক্রির টাকায় চলে মনু’র সংসার। স্বামী মারা যাবার পর ৩ সন্তানকে লালন-পালন করার দায়িত্ব বর্তায় মনু’র উপর। অবলা নারী হয়েও তিনি শক্ত হাতে ধরেন সংসারের হাল। এক ছেলেকে বিয়ে দিয়েছেন। একটি মেয়ে ৯ম শ্রেনীতে লেখাপড়া করছে গাজীপুর হাই স্কুল এন্ড কলেজে। অপর মেয়ে একই প্রতিষ্টানে ৬ষ্ট শ্রেনীতে ভর্তি হয়েছে। ছেলে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে মনু বাবার বাড়ীতে অবস্থান করছেন ৯ বছর ধরে। মনু বলেন, তার বাবার লাল মিয়া একজন মুক্তিযোদ্ধা। বাড়ী তার বাল্লা সীমান্তের টেকেরঘাট গ্রামে। জীবনের শেষ প্রান্তে চলে এসেছেন তিনি। বার্ধক্যের কারনে তিনি মেয়ের সংসার নিয়ে তেমন একটা ভাবতে পারেন না। এরপরও ভাতার টাকা পেলে এটা-সেটা কিনে দেন। বলেন, ৩ সন্তান রেখে স্বামী আফজাল মারা গেছেন ৯ বছর পূর্বে। এরপর থেকেই কঠিন পরীক্ষায় পড়েন মনু। কি করে ৩ সন্তানকে ভরণ-পোষন করে মানুষ করবেন এ চিন্তায় পেয়ে বসে তাকে। নামেন ঝি-এর কাজে। এখানেও বিড়ম্বনায় পড়তে হয় তাকে। এরপরও নানা অপবাদ উপেক্ষা করে তিনি এগিয়ে চলেন সামনের দিকে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়েও মনু পাননি কোন সরকারী সহায়তা। ভিজিএফ, ভিজিডি’র কোন ত্রাণ জুটেনি তার ভাগ্যে। শ্রমের টাকায় গড়বেন সন্তানের ভবিষ্যত-এ প্রতিজ্ঞাকে পাথেয় করে তিনি হাত দেন পিঠা তৈরীর কাজে। সীমান্তের বাল্লা পরিত্যক্ত রেল ষ্টেশনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে দেন পিটার দোকান। প্রতি বিকালে পসরা সাজিয়ে তিনি বিক্রি করতে থাকেন নানান জাতের পিঠা। এ থেকে আয় হয় দৈনিক দেড়’শ থেকে দু’শ টাকা। এ টাকা খরচ করেন দুই মেয়ের বই-খাতা, কলম, পোষাক কেনার কাজে। হাঁস-মুরগ পোষে যা আয় হয় তা দিয়ে চলে তিন বেলার আহার।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com