বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

সুন্দ্রটিকি’র ৪ শিশু হত্যা মামলা সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে

  • আপডেট টাইম বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০১৭
  • ৫৫৯ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাহুবলের চার শিশু হত্যা মামলা সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস মামলাটি সিলেট প্রেরণ করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজন জানান, গত বছরের নভেম্বরে মামলাটি সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে প্রেরণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রশাসনিক আদেশ দেয়া হয়। কিন্তু কেন পাঠাতে বিলম্ব হয়েছে তা আমার বোধগম্য নয়। ওই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি মঙ্গলবার সিলেট প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার মোট সাক্ষী ৫৭ জন। এরই মধ্যে ৪৩ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের জাকারিয়া শুভ, তার চাচাতো ভাই তাজেল মিয়া, মনির মিয়া ও ইসমাইল মিয়া গত বছরের ১২ ফেব্র“য়ারি গ্রামের মাঠে খেলা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর দিন বাহুবল থানায় সাধারণ ডায়রি করেন জাকারিয়া শুভর বাবা ওয়াহিদ মিয়া। ১৬ ফেব্র“য়ারি বাহুবল থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন মনিরের বাবা আব্দাল মিয়া। ১৭ ফেব্র“য়ারি গ্রামের পার্শ্ববর্তী বালুর ছাড়া থেকে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরই অপহরণ মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়। ঘটনার দিনই গ্রেফতার করা হয় গ্রামের একটি পঞ্চায়েতের সর্দার আব্দুল আলী বাগালকে। এরপর একে একে আরও ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে আসে চার শিশুকে খুনের নেপথ্য কাহিনী।
তদন্ত শেষে মামলায় মোট ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এর মাঝে বাচ্চু মিয়া নামে এক সিএনজি অটোরিকশা চালক র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে। আর গ্রেফতারকৃত সালেহ আহমেদ ও তার ভাই বশির আহমেদের নাম তদন্তে না আসায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। বর্তমানে কারাগারে আটক আছে মামলার প্রধান আসামি আব্দুল আলী বাগাল, তার ছেলে জুয়েল মিয়া ও রুবেল মিয়া, ভাতিজা সাহেদ ওরফে সায়েদ ও অন্যতম সহযোগী হাবিবুর রহমান আরজু। মামলায় পলাতক রয়েছে-উস্তার মিয়া, বেলাল মিয়া ও বাবুল মিয়া। হত্যাকাণ্ডটি দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। মামলাটি হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে বিচারাধীন ছিল।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com