শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন সবজির দাম বেড়েছে ॥ জনদূর্ভোগ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত নবীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা আজ বানিয়াচং মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন শহরের বিভিন্ন বাজারে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ নবীগঞ্জের চোখ হারানো আলিফের পরিবারের পাশে এনসিপি ॥ মায়ের খোঁজ নিলেন নেতৃবৃন্দ মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার বাহুবলের সাটিয়াজুরি বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিবাদ সমাবেশ মাধবপুরে মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ভিকটিম উদ্ধার হবিগঞ্জে নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী ও সারজিস আলম সহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

চুনারুঘাটের চা শ্রমিকের বিড়ম্বনার শেষ নেই

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০১৫
  • ৫৯৮ বা পড়া হয়েছে

এম এ আই সজিব ॥ এখনও শোষণ আর শাসনের মধ্যেই জীবন কাটছে চা বাগানের শ্রমিকদের। সামান্তবাদী কালো আইনের মধ্যে আবদ্ধ তাদের ব্যক্তিসত্তা। হাড়ভাঙা পরিশ্রম, মদ আর নেশায় বন্দি করে রেখে চা শ্রমিকদের দিয়ে কড়ায়-গণ্ডায় আদায় করা হচ্ছে স্বার্থ। অমানবিক খাটুনিতে একেবারে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে তাদের মহামূল্যবান এক-একটি জীবন। চা শ্রমিকদের ঘামে উৎপাদিত চা দেশের জন্য ভাল ফলাফল বয়ে আনলেও তাদের ভাগ্যে আজও জুটে না চিকিৎসাসেবা, লেখাপড়া অথবা বসবাসের জন্য অত্যাধুনিক বাসস্থান। নাগরিক তো দূরের কথা সুযোগ-সুবিধা নেই বললেই চলে। অধিকার আদায়ের কোন মাধ্যম তাদের জানা নেই। তাদের হাতে তুলে দেয়া হয় মদ আর কাজ নিয়ে ওরা সারাদিন ডুবে থাকে। বৃহত্তর সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার দেশী-বিদেশী এবং ব্যক্তি-মালিকানায় পরিচালিত হচ্ছে ১৩টি চা বাগান। ওইসব চা বাগানে বসবাস করছেন লক্ষাধিক চা শ্রমিক ও তাদের পরিবার-পরিজন। চা বাগানের নিয়মিত শ্রমিকরা প্রতি সপ্তাহে হাজিরা হিসেবে পান ২০০ টাকা। অনিয়মিত শ্রমিকরা পান ১৫০ টাকা। এ দিয়েই চলতে হয় তার পুরো সপ্তাহ। এ ছাড়া বহিরাগত ও অভ্যন্তরীণ দাদন ব্যবসায়ীর ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে বাড়ির আঙ্গিনায় ফলানো কলা, পেঁপে, সজিনা, লেবুসহ অন্যান্য শাকসবজিই তাদের পাতে উঠছে না।
এদিকে ডানকান ব্রাদার্স লিমিটেড পরিচালিত নালুয়া চা বাগানের পঞ্চায়েতের সভাপতি বলেন, চা শ্রমিকদের হাজিরা থেকে ১০ টাকা কেটে নেয়া হয়। তার সামান্যতম অংশও যদি শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য ব্যয় করা হতো, তাহলে শ্রমিকদের এ অবহেলিত জীবন পাল্টে যেতো। তিনি আরও বলেন, হাসপাতালগুলোতে তেমন কোন চিকিৎসক পাওয়া যায় না।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com