সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন খোয়াই নদীর ভাঙ্গা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন হুইপ ॥ বিএনপির রাজনীতি করে জনগণের জন্য-জি কে গউছ শায়েস্তাগঞ্জে পুকুরে শুঁটকি ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার হবিগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও আনসার কমান্ডার পরিচয়ে এক যুবকের প্রতারণা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ নবীগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আউশে ফলন ভালো দামে সর্বনাশ ॥ ধান চাষে মুখ ফিরাচ্ছেন কৃষক সততা-স্বচ্ছতার সাথে মানুষের কাজ করে যাচ্ছি-সৈয়দ ফয়সল এমপি বাহুবলে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে সড়ক অবরোধ ॥ যান চলাচল বন্ধ হবিগঞ্জ পৌরসভার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার সিলেট বিভাগের পরিচালক আশরাফুর রহমান উজ্জ্বলপুর বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট দুই কক্ষে ৫৭ শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম

হবিগঞ্জে মামলা না করেই বাদী

  • আপডেট টাইম রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৯৯ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মামলার বাদী জানেন না মামলার খবর। কি ঘটনা ঘটেছে, কখন ঘটেছে, কে আহত হয়েছে, কে মামলা করেছে, কোথায় মামলা করেছে থানায় নাকি আদালতে, কাকে আসামী করা হয়েছে এ সবের কিছুই জানেন না মামলার বাদী। অথচ ওই মামলায় অভিযুক্ত নামধারী ৪২ জন। নাম না জানা আরো ১০০/২০০ জন। গত ১৬ অক্টোবর হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলাটি এফআইআর হওয়ার পর নামধারী অভিযুক্ত ৪২ জন গ্রেফতার এড়াতে বাড়ি-ঘর ছাড়া, রয়েছে আত্মগোপনে। খবর পাওয়ার পর মামলার কথিত বাদী বানিয়াচং উপজেলার আগুয়া গ্রামের কাজী সুফি মিয়ার পুত্র কাজী শামীম আহমেদ গত ২৭ অক্টোবর হাজির হন হবিগঞ্জ আদালতে। খোজ খবর দিয়ে শামীম জানতে পারেন, তার জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে স্বাক্ষর জাল করে তাকে বাদী করে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় গত ১৬ অক্টোবর একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ অবস্থায় হতভম্ব শামীম। মামলা সম্পর্কে কিছুই জানেন না তিনি। অথচ তিনি বাদী! পরে তিনি মামলা করেননি বলে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করে আদালতে দাখিল করেন। এফিডেভিটে কাজী শামীম ঘোষণা করেন, গত ১৬ অক্টোবর মহিবুর রহমান গং ৪২ জন সহ ১০০/২০০ জনের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি ১৪৩/১৪৪/৩২৩/৩২৬/৩০৭/১১৪ ধারায় জিআর মামলা নং-২২৮/২৪ (হবি:) তিনি কোন মামলা দায়ের করেন নি। অজ্ঞাত কেউ তার জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে তার স্বাক্ষর জাল করে মামলাটি দায়ের করেছে।
এ অবস্থায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফখরুল ইসলাম এফিডেভিটটি আমলে নিয়ে কাজী শামীম আহমেদের স্বাক্ষর যাচাই করে দুস্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য হবিগঞ্জ পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (পিবিআই)কে নির্দেশ প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে কথিত বাদী কাজী শামীম আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এফিডেভিটের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমি বাদী হয়ে মামলা করেছি শুনতে পেয়ে হতবাক হয়েছি। তিনি বলেন, আমি মামলার সাথে জড়িত নই। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। আমার স্বাক্ষর জাল করে মামলাটি করা হয়েছে। আইডি কার্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, আমার ফেইজবুকে আইডি কার্ড দিয়ে ছিলাম। হয়তো সেখান থেকে দুস্কৃতিকারীরা কার্ডটি সংগ্রহ করেছে।
উল্লেখ্য, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকালে গত ১৮ জুলাই কোর্ট মসজিদ এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শতাধিক আন্দোলনকারী আহত হন।
এ ঘটনায় কাজী শামীম আহমেদ বাদী হয়ে গত ১৬ অক্টোবর হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা একটি মামলা (মামলা নং-১৩, তারিখ-১৬/১৬/২০২৪ইং) দায়ের করেন। ওই মামলায় হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহী সহ ৪২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১০০/২০০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com