রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
চুনারুঘাটে র‌্যাবের অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ আটক ২ চা বাগানের শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবি ‘জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ বিষয়ে হবিগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে জেলা জামায়াতের মতবিনিময় বানিয়াচংয়ে শিক্ষক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি আবু তাহের, সম্পাদক মোফাজ্জল নবীগঞ্জে লাইটেস স্ট্যান্ডের উদ্বোধন ও ইউএনও রুহুল আমিনকে সংবর্ধনা বনগাঁও গ্রামে সংবাদকর্মীর দোকানে হামলা-ভাংচুর ॥ হত্যার হুমকি শায়েস্তাগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ১৯ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩ হবিগঞ্জে সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন সবজির দাম বেড়েছে ॥ জনদূর্ভোগ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত নবীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বাহুবলের পুটিজুরী ইউপি চেয়ারম্যান মুদ্দত আলীর বিরুদ্ধে শরৎচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩ লাখ টাকা নেয়ার অভিযোগ

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৪৭ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাহুবল উপজেলার ২নং পুটিজুরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুদ্দত আলীর বিরুদ্ধে শরৎচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩ লক্ষ টাকা প্রধান শিক্ষকের নিকট থেকে নিয়ে যাবার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে গত ১৫ সেপ্টেম্বর বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক দুলন চন্দ্র দাশের স্ত্রী রুবি রাণী দাশ। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দুলন চন্দ্র দাশ শরৎচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক থাকা অবস্থায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুদ্দত আলী। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রধান শিক্ষক দুলন চন্দ্র দাশ মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারী হিসাবে তার স্ত্রী অবসর ভাতা আনতে গিয়ে দেখতে পান তার স্বামী বিদ্যালয় থেকে ইতিপূর্বে ৩ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন। কিন্তু প্রকৃত অর্থে তার স্বামী দুলন চন্দ্র দাশ বিদ্যালয় থেকে কোন টাকা উত্তোলন করেন নাই। ওই টাকা মূলত সাবেক সভাপতি মুদ্দত আলী নিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়, বিদ্যালয়ের কোন সিদ্ধান্ত না থাকার স্বত্বেও প্রধান শিক্ষকের উপর চাপ প্রয়োগ করে মুদ্দত আলী ৩ লাখ টাকা নিয়ে যান। যার বিপরীতে তিনি তার ব্যাংক হিসেবের ৩ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। কিন্তু ওই চেক দিয়ে টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে তার হিসাবে টাকা পাওয়া যায়নি। অভিযোগকারী রুবি রাণী দাশ বলেন, আমার দুটি বাচ্চা নিয়ে আমি বর্তমানে অসহায় অবস্থায় আছি। আমি আশাবাদী উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে আমার বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করে দেখবেন। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক স্বপন চন্দ্র পাল বলেন, আমি শুনতে পেরেছি যে রুবি রাণী দাশ একটি অভিযোগ করেছেন। টাকার ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, যৌথ স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। টাকা জোর করে নেয়ার বিষয় না। নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত তাকে ৩ লাখ টাকা ফেরত দিতে হবে। তিনি টাকা ফেরত দিলে তার স্বামীর অবসর জনিত সুবিধা পাবেন।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com