বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

নবীগঞ্জে দিলাল হত্যা মামলার ৭ আসামী বেকসুর খালাস

  • আপডেট টাইম শনিবার, ১২ জুলাই, ২০১৪
  • ৫৮৮ বা পড়া হয়েছে

এম এ বাছিত, নবীগঞ্জ থেকে ॥ নবীগঞ্জের বহুল আলোচিত দিলাল হত্যা মামলায় সাবেক দুই ইউপি চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান ও আকতার হোসেন ছুবা মিয়াসহ ৭ আসামীকে বেকসুর খালাস দিয়েছে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। চাঞ্চল্যকর ওই মামলা ৭ বছর পর নিস্পত্তি হয়েছে। মামলা রেকর্ড নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে আবেদন, সিকিউরিটি বিভাগের তদন্ত, দুই সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, মামলার মোটিভ নিয়ে নাটকীয়তায় উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। কয়েকদফা বিচারিক আদালত পরিবর্তনের আবেদন নিয়ে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ৩ জুলাই মামলার রায় দেন সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক দিলীপ কুমার দেবনাথ।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে প্রকাশ, ২০০৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর উপজেলার ২নং বড় ভাকৈর ইউনিয়নের বাগাউড়া গ্রামের ছোরাব উল্যার পুত্র উত্তরাঞ্চলের ত্রাস খ্যাত দিলাল বাহিনীর প্রধান দিলাল হোসেন বিকেল সাড়ে ৪ টায় স্থানীয় কাজীগঞ্জ বাজারে প্রকাশ্য দিবোলোকে খুন হন। ওই বাজারের একটি সেলুনে চুল কাটার সময় দুর্র্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তাঁর গোপনাঙ্গ কেটে দুর্বৃত্তরা মৃত্যু নিশ্চিত করে। অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের হিসেবেই ঘটে আলোচিত ওই হত্যাকান্ড। নিহতের মা গুল নেহার বেগম সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ ৭ জনকে অভিযুক্ত করে ২০০৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নবীগঞ্জ থানায় মামলা করেন। ১২ ডিসেম্বর আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোঃ আব্দুল মতিন মহিদ সরকার। ২০০৮ সালের ৫ ফেব্র“য়ারী মামলাটি হবিগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কগনিজেন্স কোর্ট-২ এ গৃহিত হয়। বাদী পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ৫ মার্চ মামলাটি সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয়। গত ৩ জুলাই আলোচিত মামলায় সকল আসামীকে খালাস দেন বিজ্ঞ বিচারক। আসামী পক্ষে শুনানীতে অংশ গ্রহণ করেন সিনিয়র আইনজীবি শামীম আহমদ ও এডভোকেট সাইফুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, পিপি এডভোকেট কিশোর কর।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com