শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ সড়ক এখন মরণ ফাদঁ কাজ নিয়ে তদন্তের দাবী ॥ আজ মানববন্ধন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে গোলাম মোস্তফা রফিকসহ ৩ জনের মৃত্যুতে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে এমপি ফয়সল ও শাম্মী আক্তারের শোক নবীগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চার গ্রামের পঞ্চায়েতের কবরস্থান দখলের অভিযোগ শহরে রাজনগর ও আনোয়ারপুরে দুই দল যুবকের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া বানিয়াচং দক্ষিণ আঞ্চলিক শ্রমিক কমিটি গঠন আবুল কাশেম আহবায়ক, রুবেল মিয়া সদস্য সচিব বাহুবলের রাবার বাগান কর্মী মোশাররফের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সরকারি সম্পদ লুটের অভিযোগ নবীগঞ্জে সারের ডিলার পয়েন্টে বিশেষ অভিযান ॥ জরিমানা চুনারুঘাটে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি ॥ মালামাল লুট হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ॥ গ্রেপ্তার ৪

হবিগঞ্জে যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষির পরিবারকে হয়রানীর অভিযোগ

  • আপডেট টাইম রবিবার, ১৪ জুন, ২০২০
  • ৫৮৯ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জে যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষির পরিবারের সদস্যদের হুমকি ধমকি দেয়া হচ্ছে। বিভিন্ন মামলায় জড়ানোসহ নানাভাবে হয়রানিও করা হচ্ছে। চালানো হচ্ছে অপপ্রচার। এমন অভিযোগ করেছেন সাক্ষিদের পরিবারের এক সদস্য।
শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মামলার সাক্ষির ভাতিজা বাবুল মিয়া এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। এ সময় বেশ কয়েকজন সাক্ষি উপস্থিত ছিলেন।
তিনি লিখিত বাবুল মিয়া বক্তব্যে বলেন, ২০১৮ সালের ২৩ মে যুদ্ধাপরাধ মামলায় গ্রেফতার হন বানিয়াচং উপজেলার বিথঙ্গল গ্রামের বাসিন্দা ইউপি চেয়ারম্যান মধু মিয়া। এ মামলায় সাক্ষি একই গ্রামের জলিল মিয়াসহ বেশ কয়েকজন। মামলায় তার বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগসহ বেশ কিছু অভিযোগ আনা হয়।
২০১৮ সালে মামলা দায়েরের পর থেকে সাক্ষি ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত দলকে সহযোগিতা করছেন জলিল মিয়ার ভাতিজা বাবুল মিয়া। কিন্তু তার বিরুদ্ধে সাক্ষি না দেয়ার জন্য মধু মিয়ার ভাই সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আকাদ্দস মিয়াসহ স্বজনরা সাক্ষিদের নানা প্রলোভন দেখান। এতে ব্যর্থ হয়ে হুমকি ধমকি দিতে থাকেন। তাতেও দমাতে না পেরে বিভিন্ন ভুয়া মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।
তিনি আরো বলেন, মামলার সাক্ষি আমার চাচা জলিল মিয়া গত ১৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে অসমাপ্ত সাক্ষ্য প্রদান করেন। বাড়িতে ফিরে আসার পর মধু রাজাকারের আত্মীয় স্বজনরা আমার চাচা জলিল মিয়াকে সাক্ষি না দেয়ার জন্য হুমকি ধামকি ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখায়। আমার চাচা জলিল মিয়া তাদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ২৯ এপ্রিল মধুর লোকজন ফজলু মিয়া মেম্বারের নেতৃত্বে জলিল মিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমন চালায়। এতে তিনি ও তার ছেলে আহত হন। এ ঘটনায় একটি মামলা রয়েছে যা বর্তমানে বিচারাধীন। এছাড়াও মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাসানোর চেষ্টা করছে মধুর লোকজন।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনকারীর বিরুদ্ধে সরকারি উর্ধতন কর্মকর্তাদের পরিচয়ে গ্রামবাসীকে হয়রাণী করা এবং ২০১৫ সালে তিনি নারী পাচার মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন বলে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমাকে হয়রানী করার জন্যই এমন মিথ্যা অভিযোগ পুলিশ প্রশাসনের নিকট দেয়া হয়েছে। এর কোন ভিত্তি নেই।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com