বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

বানিয়াচঙ্গে ঘূর্ণিঝড় শিলাবৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড

  • আপডেট টাইম শনিবার, ১২ মে, ২০১৮
  • ৫৯২ বা পড়া হয়েছে

মখলিছ মিয়া, বানিয়াচং থেকে ॥ বানিয়াচঙ্গে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ী ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেই সাথে ঘটেছে বিদ্যুৎ বিপর্যয়। সরকারিভাবে ক্ষতির পরিমাণ ১৫লাখ টাকা বলা হলেও প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকারও বেশী হবে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা ধারণা করছেন। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে বানিয়াচং উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টি আঘাত হানে। প্রায় আধাঘণ্টাব্যাপি স্থাীয় এই ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে দৌলতপুর, মাকালকান্দি, মিলনবাজার, চমকপুরসহ প্রায় ১০ থেকে ১৫টি গ্রামের প্রায় শতাধিক আধাপাকা ঘর ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। সেই সাথে পাকা ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের সাথে আলাপকালে তারা জানান, অধিকাংশ জমির ধান পাকা থাকায় ক্ষতির পরিমাণও বেশী হয়েছে। অনেক জমি রয়েছে যেগুলোতে সব ধান ঝরে গেছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মোস্তফা ইকবাল আজাদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শিলাবৃষ্টিতে প্রায় ২শতাধিক একর ফসলী জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অধিকাংশ জমির ধান কেটে ফেলায় ক্ষতি অনেকটাই কম হয়েছে বলেও তিনি জানান। টাকার অংকে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫লাখ টাকা হবে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড়ে দৌলতপুর, কাগাপাশাসহ আশপাশের গ্রামের প্রায় শতাধিক আধাপাকা ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরী করে সরকারের পক্ষ এসব পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে। টাকার অংকে ক্ষতির পরিমান প্রায় ৫০ লাখের উপরে হবে বলেও তিনি জানান। বানিয়াচং পল্লী বিদ্যুত জোনাল অফিসের এজিএম কাজী রকিবুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আজমিরীগঞ্জের পাহাড়পুর, বানিয়াচঙ্গের চমকপুর, দৌলতপুর, মাকালকান্দি, মিলনবাজারসহ আশপাশের এলাকার প্রায় ৫০টির মত বিদ্যুতের খুটি ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে গেছে। এছাড়া ট্রান্সফরমার, তার, মিটারসহ বিদ্যুতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। টাকার অংকে ক্ষতির পরিমান ৪০ থেকে ৪৫ লাখ হবে বলেও তিনি জানান। এদিকে গতকাল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও বজ্রপাতের আঘাতে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করে সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব এডভোকেট আব্দুল মজিদ খান। এসময় তিনি ঘূর্ণিঝড় ও বজ্রপাতে মারা যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com