বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বানিয়াচংয়ে ৯ ছাত্র-জনতা হত্যা মামলা ॥ ২ বছরেও শুরু হয়নি বিচার শহীদ পরিবারে তীব্র ক্ষোভ দেউন্দি-রঘুনন্দন বনাঞ্চলের গাছ কেটে সাবাড় ॥ হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য আজ “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস” এই আন্দোলনে হবিগঞ্জ জেলায় ১২ ছাত্র-জনতা ও পুলিশ প্রাণ হারান মাধবপুরে লোডশেডিং বিপর্যস্ত জনজীবন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম হবিগঞ্জ জেলা শাখার নয়া কমিটি বানিয়াচঙ্গে শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় ডা. জীবন ॥ আজকের কৃতিরাই আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউ.কে এর উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ ও বস্ত্র বিতরণ ইংল্যান্ড আলাল মহসিনের চুরি যাওয়া ২টি আইফোন ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার তেতৈয়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে লাশ হলো শিশু

ওয়ান-নাইনটি নাইন দোকান থেকে টাকা ছাড়া মাল নিয়ে যাবার অভিযোগ ॥ হবিগঞ্জ শহরে ৩ স্কুলছাত্রকে পিটিয়ে রক্তাক্ত

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০১৬
  • ১২৫৪ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরের মিশন রোড এলাকায় ১ টু ৯৯ মার্কেটে টাকা ছাড়া মাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ৩ স্কুল ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করেছে দোকানের কর্মচারীরা। এনিয়ে পরস্পর বিরোধি বক্তব্য পাওয়া গেছে।
DSC02002 copyসূত্র জানায়, মক্তমপুর ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও পাতারিয়া গ্রামের আব্দুল আহাদের পুত্র হবিগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র আশরাফুল আলম শুভ (১৪) ও একই গ্রামের শফিক মিয়ার হবিগঞ্জ হাই স্কুলের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র সাগর মিয়া (১৩) ও একই গ্রামের একই স্কুলের আশিক মিয়ার পুত্র ৮ম শ্রেণীর ছাত্র জাবেদ মিয়া (১৪) গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে স্কুল ছুটির পর ওই মার্কেটে কেনাকাটা করতে যায়। শুভ তার আপুর জন্য ছুড়ি ও মগ ক্রয় করে নিয়ে আসতে চাইলে দোকানের কর্মচারী বলে টাকা দেয়নি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে কর্মচারীরা ওই ৩ ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে।Shop 99 (1) copy
এদিকে ওই ছাত্রদের মারধরের খবর তাদের অভিভাবকদের কাছে পৌছুলে তাদের আত্মীয় স্বজন উত্তেজিত হয়ে ওই দোকানের সামনে এসে জড়ো হয়। এ সময় দোকান কর্মচারীরা সাটার বন্ধ করে দেয়। স্থানীয় জনগনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সহকারী-পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে। ছুটে যান চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ, অগ্রদূত পরিবহনের মালিক ফজলুর রহমান লেবু ও ইরাজ মিয়াসহ ব্যকসের নেতৃবৃন্দ। এ সময় আলোচনার মাধ্যমে সৃষ্ট ঘটনা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দোকানটি বন্ধ রাকার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এ ব্যাপারে ওই দোকানের ম্যানেজার আবুল হাশেম জানান, টাকা না দিয়ে জিনিস নিয়ে যাচ্ছিল। এ কারণে তাদেরকে জিজ্ঞেস তারা দোকান থেকে চাকু নিয়ে মারতে আসে। অপরদিকে আহত ছাত্ররা জানায়, আমরা টাকা দিয়ে জিনিস নিয়েছি। এরপরও তারা শাটার বন্ধ করে আমাদেরকে অমানসিক ভাবে মারপিট করেছে। চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ জানান, টাকা দেয়ার পরও আমার ছেলে ও তার সহপাঠীদেরকে অমানসিক ভাবে নির্যাতন করেছে। এ রকম তারা আরও কয়েকটি ঘটনা ঘটিয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com