সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অর্থের অভাবে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরছে না দুলনের মরদেহ হবিগঞ্জে এনসিপির দায়েরকৃত মামলায় ছাত্রদলের নেতাদের জামিন লাভ হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ৯ জনকে আসামী করে ছাত্রদল নেতার মামলা রুজু বাহুবলে শ্যামলী বাসের সাথে সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ১ হবিগঞ্জ আদালতে কোর্ট ফি সংকট ॥ ভোগান্তি সুরমা চা বাগানে ৫০ বছরের পুরোনো সেতুতে ভোগান্তি শহরে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান ॥ আটক ১ শায়েস্তাগঞ্জে গরুবাহী পিকআপে ডাকাতি র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ১ বাহুবলে দ্বৈত হত্যা মামলার আরও ১ আসামি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার চুনারুঘাটে র‌্যাবের অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

সাংবাদিক রাসেল চৌধুরীকে মিথ্যা হত্যা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি

  • আপডেট টাইম বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ৬৬৩ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ সমাচার পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, বেসরকারী টিভি চ্যানেল বৈশাখি টেলিভিশন ও দৈনিক সকালের খবর পত্রিকার হবিগঞ্জ প্রতিনিধি সাংবাদিক রাসেল চৌধুরীকে একটি মিথ্যা হত্যা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। গতকাল হবিগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ মুসলেহ উদ্দিন হত্যা মামলার ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করে কথিত হত্যা মামলার আসামী রাসেল চৌধুরীসহ সকল আসামীকে অব্যাহতি প্রদান করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৬ জুন শায়েস্তাগঞ্জের বরচর গ্রামের ভ্যানগাড়ি চালক আব্দুল কদ্দুছ গলায় ফাস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। আব্দুল কদ্দুছের আত্মহত্যার পরদিন তার পিতা ইছব আলী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন। এরপরই আব্দুল কদ্দুছের মৃত্যু ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মাঠে নামে একটি চক্র। প্রচার করা হয়, আব্দুল কদ্দুছকে হত্যা করা হয়েছে। আত্মহত্যার পর দিন পিতা ইছব আলী থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করলেও ঘটনার ৫দিন পর আব্দুল কদ্দুছের মাতা খোদেজা খাতুন বাদী হয়ে আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামী করা হয় হবিগঞ্জ শহরের পুরান মুন্সেফী এলাকার বাসিন্দা বিশিষ্ট সাংবাদিক রাসেল চৌধুরীকে। আব্দুল কদ্দুছ যে দিন আত্মহত্যা করে, ঠিক সেদিনই সাংবাদিক রাসেল চৌধুরীর প্রথম সন্তান জন্মলাভ করে। আদালতে প্রশ্ন তুলা হয়, যে দিন একজন সাংবাদিকের প্রথম সন্তান ভূমিষ্ট হল, স্ত্রী ও সন্তানের চিকিৎসা কাজে ব্যস্ত দিন অতিবাহিত করলেন, সেদিন ওই সাংবাদিক একটি হত্যা ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন কিভাবে? এমন প্রশ্নের সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেনি বাদী পক্ষের আইনজীবী। আদালতে মামলা দায়েরের পর মামলাটি তদন্তের জন্য থানায় প্রেরণ করা হলে পুলিশ তদন্ত করে বাদীর অভিযোগ সত্য নয় মর্মে আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। বাদী পক্ষের চূড়ান্ত রিপোর্টের বিরুদ্ধে নারাজী পিটিশন দাখিল করলে আদালত পুনরায় মামলাটি এফআইর গণ্যে রুজু করে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন। দ্বিতীয়বারও পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট, আলামত, স্বাক্ষী প্রমাণসহ পুলিশী তদন্তে খোদেজা খাতুনের অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। পুলিশ পুনরায় কথিত হত্যা মামলাটির ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করে। ফাইনাল রিপোর্টের উপর তিনদিন শুনানী গ্রহণ করেন আদালত। এক পর্যায়ে আদালত বাদী পক্ষেকে তাদের বক্তব্য লিখিত আকারে আদালতে জমা দেয়ার নির্দেশ দেন। তিন দিন শুনানীর পর বাদী পক্ষ আদালতে পুনরায় লিখিত আকারে তাদের বক্তব্য দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানী ও বাদী পক্ষের লিখিত বক্তব্য পর্যালোচনা শেষে গতকাল অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ মুসলেহ উদ্দিন পুলিশের ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করে আসামীদের অব্যাহতি প্রদান করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com