সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অর্থের অভাবে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরছে না দুলনের মরদেহ হবিগঞ্জে এনসিপির দায়েরকৃত মামলায় ছাত্রদলের নেতাদের জামিন লাভ হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ৯ জনকে আসামী করে ছাত্রদল নেতার মামলা রুজু বাহুবলে শ্যামলী বাসের সাথে সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ১ হবিগঞ্জ আদালতে কোর্ট ফি সংকট ॥ ভোগান্তি সুরমা চা বাগানে ৫০ বছরের পুরোনো সেতুতে ভোগান্তি শহরে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান ॥ আটক ১ শায়েস্তাগঞ্জে গরুবাহী পিকআপে ডাকাতি র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ১ বাহুবলে দ্বৈত হত্যা মামলার আরও ১ আসামি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার চুনারুঘাটে র‌্যাবের অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশিয়ার রাসেন্দ্র ও কর্মচারী তুহিন স্ট্যান্ড রিলিজ

  • আপডেট টাইম বুধবার, ৬ জুলাই, ২০২২
  • ৩৮১ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ অগ্রণী ব্যাংক হবিগঞ্জ শাখায় গ্রাহকের হিসেবে টাকা নিয়ে কেলেঙ্কারীর ঘটনায় ক্যাশিয়ার রাসেন্দ্র চন্দ্র দেব ও কর্মচারী আবু তাহের তুহিনকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।
মাধবপুর উপজেলার জয়পুর গ্রামের মোছাঃ আছমা বেগম জানান, অগ্রণী ব্যাংক হবিগঞ্জ শাখায় তার একটি সঞ্চয়ী হিসাব রয়েছে। এই হিসাব নম্বরের চেক বইয়ের একটি পাতা থাকা অবস্থায় প্রায় এক বছর আগে তিনি নতুন চেক বই গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে কোন একদিন ব্যাংকিং কাজ করতে গিয়ে ভুলবশত চেক বইটি ব্যাংকে ফেলে রেখে বাসায় চলে যান। তখন পুনরায় ব্যাংকে গিয়ে চেক বইটির খোঁজ করেন। ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট স্টাফগণ তাকে জানান, তারা কোন চেক বই পাননি। তখন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়ে বলেন তার চেক বইয়ের পাতার নম্বরগুলো তিনি জানেন না। কাজেই তার চেক বই হারানোর বিষয়টি তার একাউন্টে যেন লিপিবদ্ধ করে রাখা হয়। তার এই হিসাব নম্বরে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স নেই। তাই বিষয়টি নিয়ে তিনি আর চিন্তা করেননি।
এরই মধ্যে গত ৩ জুলাই রবিবার রাত ৭টায় ব্যাংক থেকে ম্যানেজার মাধব রায় তার সাথে যোগাযোগ করে জানান- তার হিসাব নম্বর থেকে আছিয়া নামে এক মহিলা ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা উত্তোলন করে নিয়ে গেছে। তিনি যেন দ্রুত ব্যাংকে গিয়ে তাদের সাথে দেখা করেন। তা না হলে তাকে পুলিশের জেরার মুখোমুখি হতে হবে। এমতাবস্থায় তিনি দ্রুত ব্যাংকে গিয়ে ম্যানেজারের সাথে দেখা করেন। তিনি ম্যানেজারকে জানান, যে চেক দিয়ে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে ওই চেকে তিনি স্বাক্ষর করেননি। তাছাড়া তার একাউন্টে টাকা না থাকা স্বত্ত্বেও কিভাবে ব্যাংক থেকে টাকা দেয়া হলো তাও তার বোধগম্য হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে আছমা বেগম ধারণা করেন- ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারিরা এই টাকা উত্তোলন করে তার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছে।
এ ঘটনার সংবাদ প্রকাশ হলে ব্যাংকটির সিলেট বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার রুবানা পারভিনসহ একটি টিম ৪ জুলাই ম্যানেজার মাধব রায়সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত করেন। তদন্তের পরদিন দুর্নীতি ও অনিয়মের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে রাসেন্দ্র ও তুহিনকে স্যান্ড রিলিজ করা হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com