বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
জেলা ছাত্রদল সভাপতি রিংগনসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে ১’শ জনের বিরুদ্ধে এনসিপির মামলা নবীগঞ্জে পথসভা শেষে বিএনপি ও জাসাস নেতার মধ্যে বাকবিতন্ডা ও সংঘর্ষ ॥ আহত ২০ চুনারুঘাটের এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত শায়েস্তাগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ লুণ্ঠিত পিকআপ ও ১২টি গরু উদ্ধার নবীগঞ্জে নতুন ইউএনও সুলতানা জেরিন চা-বাগানে এমপির প্রচেষ্টায় নতুন ঘর পেল আদিবাসী পরিবার শহরে এনসিপির সাথে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ ॥ আহত ১০ হবিগঞ্জ কারাগার পরিদর্শনে হুইপ জি কে গউছ ॥ বন্দিদের জন্য ১০টি টেলিভিশন, ৩০টি সিলিং ফ্যান ও ২টি ডিপ টিউবওয়েল দেওয়ার ঘোষণা হবিগঞ্জ শহরে মুক্তিযোদ্ধা অনিল কুমার চৌধুরীর জায়গা দখলের অভিযোগ হুইপ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নিকট লিখিত অভিযোগ হবিগঞ্জ পৌরসভার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

মৌলভীবাজারে বিয়েতে দাওয়াত খেতে গিয়ে উমেদনগরের মা-মেয়ে আগুনে পুড়ে নিহত

  • আপডেট টাইম বুধবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৮২৬ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মৌলভী বাজারে আত্মীয়ের বিয়েতে দাওয়াত খেতে গিয়ে আগুনে পুড়ে লাশ হয়ে ফিরেছেন হবিগঞ্জ পৌর এলাকার দিপা রায় (৩৫) ও দিপা রায়ের মেয়ে বৈশাখী রায় (৩)।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে মৌলভীবাজারের পিংকি সু স্টোরের গ্যাসের রাইজার থেকে লাগা আগুনে ওই দুজনসহ ৫ জন মারা যান। নিহতরা হলেন-পিংকি সু স্টোরের মালিক সুভাষ রায় (৬৫), তার মেয়ে প্রিয়া রায় (১৯), সুভাষ রায়ের ভাইয়ের স্ত্রী দীপ্তি রায় (৪৮), সুভাষ রায়ের শ্যালক হবিগঞ্জ পৌর এলাকার উমেদনগরের সজল রায়ের স্ত্রী দিপা রায় (৩৫) ও দিপা রায়ের মেয়ে বৈশাখী রায় (৩)।
জানা যায়, হবিগঞ্জ থেকে সপরিবারে মৌলভীবাজারে গিয়ে ছিলেন দিপা রায় (৩৫)। ২২ জানুয়ারি বিয়ে শেষ হয়, সোমবার ছিল বৌভাত। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের সাথেই হবিগঞ্জে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মেয়েকে নিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না দিপা রায়ের। ভয়াবহ আগুন মা-মেয়ের জীবন কেড়ে নেবে এটা হয়তো ভাবেননি দিপা রায়ের স্বামী সজল রায় ও তার ছেলে সন্তান।
গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ১০টার দিকে পিংকি স্টোরের গ্যাসের রাইজার থেকে ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত হয়। সেই দোকানের উপরে বাসাতেই আত্মীয়দের সাথে তার এক ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে অবস্থান করছিলেন দিপা রায়। আগুন লাগার পর বাসার অন্যান্য সদস্যদের মতো দিপা রায়ও ছেলেমেয়েদের নিয়ে ওই বাসায় আটকা পড়েন। প্রাণ বাঁচাতে ছেলে বাসার বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও ছোট মেয়ে বৈশাখীকে নিয়ে বের হতে পারেননি মা দিপা রায়। ফলে অন্য ৩ জনের সাথে মারা যান তারাও।
ভয়াবহ আগুন থেকে বেঁচে ফেরা সুভাষ রায়ের স্ত্রী জয়ন্তি রায়ের দুচোখ এখন অন্ধকার। অগ্নিকান্ডে হারিয়েছেন স্বামী সুভাষ রায় ও মেয়ে পিয়া রায়কে।
জয়ন্তি রায় বলেন, ‘আমি ঘুমিয়ে ছিলাম, চা জ্বাল দেয়ার জন্য ঘুম থেকে উঠি। উঠেই দেখি আমার বাসায় থাকা এক আত্মীয় আগুন বলে চিৎকার করছেন। পরে আমি চিৎকার করে সবাইকে সজাগ করি। বাসায় আমরা নয় জন ছিলাম। পিংকির চাচা মনা রায়, দিপার ছেলে ও দোকানের কর্মচারী বাসার পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে আসি। বাকিরা সবাই বাসায় আটকা পড়েন।’
এ ঘটনায় পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভা। মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই তদন্তের ঘোষণা দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com