বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

টুং টাং শব্দে মুখরিত হচ্ছে নবীগঞ্জের কামারপাড়া

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০১৯
  • ৮৮৫ বা পড়া হয়েছে

এটিএম সালাম, নবীগঞ্জ থেকে ॥ দিন-রাত টুং টাং শব্দে মুখরিত হচ্ছে নবীগঞ্জ বাজারসহ বিভিন্ন কামারপাড়া। কামার পল্লীগুলোতে এখন রাত-দিন চলছে পরিচিত টুং টাং শব্দ। কোরবানির ঈদের সময় যতোই ঘনিয়ে আসছে, ততোই বাড়ছে কামারদের ব্যস্ততা।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। বছরের অন্য সময় গুলোতে কাজের তেমন চাপ না থাকলেও কোরবানির সময় যেন দম ফেলার ফুরসৎ নেই তাদের। তবে বিগত বছরগুলোর চেয়ে এবারে সরঞ্জামের দাম বেশি হওয়ায় কিছুটা বিপাকে পড়েছেন কামাররা।
পশু কোরবানির দা, ছুরি ও চাপাতিসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে মানুষ ভিড় করছেন কামারপাড়ায়। আবার কেউ কেউ পুরোনো সরঞ্জাম মেরামত অথবা শান দিয়ে নিচ্ছেন।
প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব, আর্থিক সংকটসহ নানা কারণে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্প। পাশাপাশি কয়লা আর কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় লাভের পরিমাণ কমেছে বলেও জানান অনেকে। বর্তমান আধুনিক যন্ত্রাংশের প্রভাবে কামার শিল্পের দুর্দিন চললেও পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে এ শিল্প।
কামার পল্লীর সুকুমার দেব জানান, বছরের অন্যান্য দিনগুলোতে তেমন কাজ আসে না। কিন্তু কোরবানির ঈদ এলে কাজের চাপ বেড়ে যায়। দিন-রাত কাজ করেও রেহাই পাওয়া যায় না।
কামার শিল্পী বাবুল চন্দ্র দেব বলেন, ৩৫ বছরের বেশি সময় ধরে এই ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছি। ঈদের আর কয়েক’দিন বাকি থাকলেও পাইকারী দোকানদার ও খুচরা ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ঈদের আগ পর্যন্ত ঠিকমতো নাওয়া-খাওয়ার সময় পাচ্ছি না।
কারিগররা জানান, কাঁচা-পাকা লোহা দিয়ে তৈরি করা হয় ধাতব যন্ত্রপাতি। তবে পাকা লোহার দা-ছুরির চাহিদা সবসময়ই বেশি থাকে এবং বেশি দামে বিক্রি হয়ে থাকে।
বিক্রেতারা জানান, দা আকৃতি ও লোহা ভেদে ১শ থেকে ৪শ ৫০ টাকা, ছুরি ৫০ থেকে ৩শ টাকা, চাকু প্রতিটি সর্বোচ্চ ৫০ টাকা, হাড় কোপানোর চাপাতি প্রতিটি ২শ থেকে ৪শ টাকা এবং ধার করার স্টিল প্রতিটি ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। পুরোনো যন্ত্রপাতি শান দিতে বা পানি দিতে ১শ ৫০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে। কয়লা ও কাঁচামালের দাম সহনীয় রেখে এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে সরকার এমনটাই প্রত্যাশা কামারদের।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com