বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
হবিগঞ্জ শহরে যানজটে নাকাল মানুষ মন্দরী গ্রামে জায়দুল হত্যা মামলায় ৫ আসামি গ্রেপ্তার ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি রোধে স্বপ্রণোদিত মামলা তদন্তে পিবিআই হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে যোগেন্দ্র কিশোর এন্ড হরেন্দ্র কিশোর স্কুল এন্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ হবিগঞ্জে মেটাল সীডস লিমিটেডের উদ্যোগে ডিলার-রিটেইলার মিট অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জ উপজেলার ৯১টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপুজার ব্যাপক প্রস্তুতি নবীগঞ্জে আ.লীগের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে যুবদলের মিছিল ও পথসভা হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুকিবকে সামাজিক সংগঠন এর সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান চুনারুঘাটে বিদেশি পিস্তলসহ দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে এসআরবি শায়েস্তাগঞ্জে ২০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২

শাহজিবাজারে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন ব্লেড আসছে

  • আপডেট সময় বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মাধবপুর উপজেলার শাহজিবাজার ১০০ মেগাওয়াট গ্যাস টারবাইন বিদ্যুৎ কেন্দ্র টি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (ইচউই) মালিকানাধীন একটি সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। ২০১৭ সালে প্রকল্পটির ৮৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্যাস টারবাইন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উৎপাদনে যেতে পারেনি ছয় বছরেও।
জানা যায়, নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি প্রকল্পের কাজ। পরে পরীক্ষামূলক ভাবে কেন্দ্রটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও টারবাইনের ব্লেড ভেঙে যাওয়ায় তা বন্ধ হয়ে যায়। এখন নতুন ব্লেড এনে কেন্দ্রটি চালুর অপেক্ষায় আছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চায়না কেবল করপোরেশন লিমিটেডের মাধ্যমে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ। ২০২০ সালের মধ্যে কাজ শেষ করে উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্য ছিল। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে করা হয় ২০২৪ সাল পর্যন্ত। পরবর্তীতে কেন্দ্রটি পরীক্ষামূলক ভাবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এ সময় ভেঙে যায় টারবাইনের একটি ব্লেড। এরপর থেকে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে কেন্দ্রটির। ত্রুটিপূর্ণ ব্লেডের পরিবর্তে নতুন ব্লেড আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক এ কে এম মফিজ উদ্দিন আহমেদ জানান, ব্লেডটি আমেরিকা থেকে আনা হবে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৭ সালের জুনে কেন্দ্রটি উৎপাদনে যেতে পারে। এরই মধ্যে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না কেবল করপোরেশন লিমিটেডকে। কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় বাকি অর্থ আটকে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। দীর্ঘ সময় ধরে কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় প্রকল্পের ব্যয় ও কাঙ্খিত সুফল নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ
© All rights reserved © 2013-2026 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com