স্টাফ রিপোর্টার ॥ সিলেট বিভাগের বন রক্ষায় প্রশাসনিক তৎপরতা ও গতিশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি বন বিভাগের রেঞ্জ ও বিটের সীমানা নির্ধারণে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অঞ্চল বন সংরক্ষক এ এস এম জহির উদ্দিন আকন।
গত শুক্রবার ঢাকা মহাখালী কেন্দ্রীয় বন সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক এ এস এম জহির উদ্দিন আকন সিলেট বন বিভাগে সংক্ষিপ্ত সফরে এসে হবিগঞ্জের রঘুনন্দন রেঞ্জের জগদীশপুর বন বিটের ১৫০ একর সংরক্ষিত বনভূমি পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া গাছের চারা থেকে প্রাকৃতিক বন গড়ে উঠার সম্ভাবনা পরিদর্শন করেন। এ ধরনের প্রাকৃতিক বন গড়ে উঠলে বনভূমি জবরদখলের প্রবণতা কমার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি জানান।
এ এস এম জহির উদ্দিন আকন বলেন, রঘুনন্দন রেঞ্জের শাহপুর, জগদীশপুর ও শালটিলা-এই তিনটি বিট এবং শায়েস্তাগঞ্জ ফরেস্ট রেঞ্জ ও পুটিজুরী বন বিটের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হলে বন অপরাধের প্রবণতা কমবে। পাশাপাশি বনভূমি বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে গড়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক বনের উন্নয়ন হলে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি, মাটির উর্বরতা রক্ষা, বন আগুন প্রতিরোধ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণার জন্য এলাকাটি উপযুক্ত স্থান হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। সামাজিক অবক্ষয় রোধেও এ ধরনের উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পরিদর্শনকালে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ আবদুর রহমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় সহকারী বন সংরক্ষক জয়নাল আবেদীন, রঘুনন্দন রেঞ্জের এসিএফ ফয়সাল আলম, শায়েস্তাগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, জগদীশপুর বন বিট কাম চেক স্টেশনের ফরেস্টার জহিরুল ইসলাম, শাহপুর বন বিটের ফরেস্টার রথীন্দ্র কিশোর রায়, শালটিলা বন বিটের ফরেস্টার মোহাইমিনুল ইসলাম সানিসহ বন বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।