শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন সবজির দাম বেড়েছে ॥ জনদূর্ভোগ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত নবীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা আজ বানিয়াচং মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন দীঘলবাগে কৃষকদল নেতা জামাল আ.লীগ নেতা শাহীদের বিরুদ্ধে আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর দখলের অভিযোগ শহরের বিভিন্ন বাজারে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ নবীগঞ্জের চোখ হারানো আলিফের পরিবারের পাশে এনসিপি ॥ মায়ের খোঁজ নিলেন নেতৃবৃন্দ মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার বাহুবলের সাটিয়াজুরি বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিবাদ সমাবেশ মাধবপুরে মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ভিকটিম উদ্ধার

বোনা আমনের বাম্পার ফলন মাধবপুরে সবুজের সমারোহ

  • আপডেট টাইম রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ৬৬৩ বা পড়া হয়েছে

আবুল হোসেন সবুজ, মাধবপুর থেকে ॥ নিচু জলাভূমি। জলজ উদ্ভিদ ছাড়া বর্ষা মৌসুমে এসব জমিতে কিছুই জন্মাত না। কিন্তু এসব নিচু জলাভূমি এখন আর পতিত নয়। দিগন্ত জুড়ে সবুজের সমাহার ফসলের মাঠ। হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় নিম্নাঞ্চলে এখন চোখে পড়ে মাইলের পর মাইল সারি সারি সবুজ বোনা আমনের ধান ক্ষেত। উপজেলার বুল্লা, আদাঐর, আন্দিউড়া, ছাতিয়াইন, বাঘাসুরা ইউনিয়নের সবুজ ধান ক্ষেত আবাদ করে নিচু জলাভুমির চাষিরা ঘরে ফসল তোলার স্বপ্ন দেখছে। ভাটি এলাকার কৃষকরা বহুকাল পূর্ব থেকেই এসব জলা ভূমিতে দেশি জাতের বোনা আমনের চাষাবাদ করছেন। এ জাতের ধানের নাম হচ্ছে আছমিতা, গোডা। বোরো ধান কাটার পর বৈশাখ জৈষ্ঠ্যমাসে জমিতে সামান্য চাষাবাদ দিয়ে এ ধানের বীজ বোনা হয়। প্রতি একরে বীজের প্রয়োজন হয় ২৫ থেকে ৩০ কেজি। এ ধানের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বর্ষার পানি বাড়ার সাথে ধান গাছগুলো বাড়তে থাকে। বুল্লা গ্রামের কৃষক শমসের আলী বলেন এ ধান উৎপাদনে কৃষকের একর প্রতি খরচ হয় ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। কীট নাশক ও সারের তেমন প্রয়োজন নেই বললেই চলে। একটি ধান গাছ ৮-১০ হাত পর্যন্ত লম্বা হয়। কার্তিক মাসে ভাটি এলাকায় ধান কাটার ধুম পড়ে। প্রতি একরে ধানের ফলন হয় ৩৫-৪০ মণ। মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিকুল হক বলেন, ভাটি এলাকায় নিম্ন ভূমিতে কৃষকরা বহু দিন ধরে এ জাতের ধান উৎপাদন করছে। এবছর এ ধানের ফলন ভাল হয়েছে। তিনি জানান, এ ধান কাটার পর জমিতে কোনো আগাছা থাকে না। মাটি ঠান্ডা ও উর্বর থাকে তাই পরবর্তী ফসল ভাল হয়। এ বছর প্রাকৃতিক কোনো বড় দূর্যোগ না হলে এ ধানের উৎপাদন লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশি হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com