স্টাফ রিপোর্টার ॥ শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য শামীম আহমেদ এর উপর হামলার অভিযোগ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি গতকাল ৬ অক্টোবর হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ইদানিং শায়েস্তাগঞ্জ পৌর এলাকায় মাদকসেবীরা মাদকের টাকার জন্য এলাকায় বাসা বাড়ি ও দোকানপাটে চুরির ঘটনা ঘটছে। কয়েকমাস আগে অভিযোগকারী সাংবাদিক শামীম আহমদের বাসা থেকে ১টি বাইসাইকেল চুরি হয়। পরবর্তীতে খোজাখুজির পর তার বাসার পাশ্ববর্তী জৈনক চৌধুরীর ভাড়াটিয়া ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীর দোকানে তার সাইকেলটি পাওয়া যায়। পরবর্তীতে শায়েস্তাগঞ্জ থানার এসআই জহির উক্ত সাইকেলটি উক্ত ভাঙ্গারিয়ার দোকান থেকে উদ্ধার করে ভাঙ্গারিয়ার মালিককে আটক করে থানায় নিয়ে যান। যদিও অফিসার ইনচার্জ বলেছিলেন আটককৃত ভাঙ্গারিয়ার মালিকের বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলা থাকায় তার বিরুদ্ধে চার্জশীট প্রদান করে মামলা এফআইআর করা হবে। কিন্তু পরবর্তীতে এসআই জহির জিডি মুলে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত থেকে ভাঙ্গারিয়া ব্যবসায়ী জামিনে বের হয়ে আসে। তিনি উল্লেখ করেন, গতকাল ৬ অক্টোবর দুপুরে সাংবাদিক শামীম আহমেদের বাসার পাশের জনৈক ফার্নিচার ব্যবসায়ীর দোকান থেকে যন্ত্রাংশ চুরি করা অবস্থায় চোরকে হাতে নাতে ধরা হয়। পরবর্তীতে শায়েস্তাগঞ্জ থানার এসআই জহুরুল সংগীয় ফোর্স সহ ঘটনাস্বথলে আসলে চোরকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য শায়েস্তাগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব কর্তৃক দারোগাকে ম্যানেজ করলে দারোগা উপস্থিত জনতাকে বলেন সম্ভবত চোরের ১৮ বছর। তাই তাকে আদালতে চালান দিয়ে লাভ নাই। তাকে ছেড়ে দেওয়াই উত্তম। তখন সাংবাদিক শামীম আহমেদ প্রতিবাদ করে বলেন এভাবে কমিল্লার অপ্রতিম হত্যার আসামী তুহিনকেও আন্ডার ১৮ বছর বলে মটর সাইকেল চুরিকে জিডি করা হয়েছিল পরবর্তীতে তুহিন কুমিল্লার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের সন্তান অপ্রতিমকে খুন করার সাহস পায়। এভাবে চোরকে ছাড়া যাবে না। তাকে আদালতে চালান করা হউক। ১দিন জেলে থাকলে শাস্তি হলে ভবিষ্যতে সে আর চুরি করবেনা। এ কথা বলার সাথে সাথে শায়েস্তাগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব কামরুজ্জামান মিলন উপস্থিত পুলিশ সদস্য ও অন্যান্য সাধারণ জনতার সামনে সাংবাদিক শামীম আহমদের উপর হামলা করেন। তার ২ কানে জোরে তাপ্পর মারায় সাংবাদিক শামীম আহমদের ২ কানে শারিরীক ও মানসিকভাবে শক্ত আঘাত প্রাপ্ত হন। একই সাথে তার চরম মানহানী ঘটে। তিনি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে তার কান পরীক্ষা করার জন্য নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নিকট রেফার করেন।