স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাবা-মায়ের পাশে শায়িত হলেন বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুর ইউনিয়নের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট শালিস বিচারক ও সাবেক চেয়ারম্যান এনাম খান চৌধুরী ফরিদ। জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এনাম খান চৌধুরী ফরিদ দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত ভোররাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় তিনি মৃত্যু বরণ করেন (ইন্নাইলাইহি…রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। তিনি ২ মেয়ে, ২ ছেলে, তিন বোনসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুম এনাম খান চৌধুরী ফরিদ সাবেক মন্ত্রী জাকারিয়া খান চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী জাকির খান চৌধুরী, সাবেক সচিব ইকবাল খান চৌধুরীর ভাতিজা ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক পাবেল খান চৌধুরী, ছাত্রনেতা মোস্তাক খান চৌধুরী রুমেল, আরাফাত খান চৌধুরী দোহা’র আপন চাচাতো ভাই। এদিকে এনাম খান চৌধুরী ফরিদ এর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। সকাল থেকেই কয়েক শতাধিক মানুষ তাঁকে এক নজর দেখতে মরহুম গ্রামের বাড়ি শতমুখা চৌধুরী বাড়িতে ভীড় জমান। শুক্রবার বাদ আসর নিজ গ্রামের বাড়ি শতমুখা চৌধুরীর প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাজ পুর্ববতী সময়ে সংপ্তি বক্তব্য রাখেন সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল হাদী, সাবেক চেয়ারম্যান শেখ মোক্তার হোসেন বেনু, মোঃ বাছির মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শুভ আহমেদ মজলিস, বিশিষ্ট শালিস বিচারক টিপু সুলতান চৌধুরী, দণি বানিয়াচং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নুরুল হুদা, রবিন চৌধুরী মলু, বিশিষ্ট মুরুব্বি জিতু মেম্বার, আহম্মদ হোসেন প্রমুখ। পরিবারের প থেকে মাগফেরাত কামনা করে বক্তব্য রাখেন মরহুমে ছোট ভাই সাংবাদিক পাবেল খান চৌধুরী। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন মরহুমের ছোট ভাই মোস্তাক খান চৌধুরী রুমেল। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা কাজী জসিম উদ্দিন খান চৌধুরী ও শতমুখা পুরাতন জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মোহাম্মদ মোশাহিদুল ইসলাম। সাবেক চেয়ারম্যান এনাম খান চৌধুরী ফরিদ এর জানাজার নামাজে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সহ প্রায় ৩ সহস্রাধিক মুসল্লী অংশ গ্রহণ করেন।