স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ পৌর বিএনপির ২নং ওয়ার্ড শাখা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাপ খান তাকে পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করায় ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গোলাপ খান এক বিবৃতিতে বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে সুখে-দুঃখে মাঠে থেকে দলের জন্য কাজ করেছি। যা দলীয় নেতাকর্মী সকলেই অবগত। আমি দলীয় কোন শৃংখলা বিরোধী কর্মকান্ডের সাথে কখনোই জড়িত ছিলাম না। দলীয় মৃংখলা বিরোধী কোন কাজ আমি করিনি। কিন্তু কোন সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই আমাকে কেন অব্যাহতি প্রদান করা হলো তা বোধগম্য নয়। কোন কারণ ছাড়াই আমাকে দলীয় পদ থেকে অব্যহতি দেয়ায় দলের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন ভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গোলাপ খান রাজপথের লড়াই-সংগ্রামের পরীক্ষিত সৈনিক। গোলাম খানের মত তৃনমুলের নোকে অব্যাহতি দলের তৃণমূলের ভিত্তিকে দুর্বল করার একটি অপচেষ্টা। নেতৃবৃন্দ অনতিবিলম্বে এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে আমাকে স্বপদে বহালের জোর দাবি জানিয়েছেন।
বিএনপি নেতা গোলাপ খান আরো বলেন, দল কোন ব্যক্তির একক সম্পত্তি বা প্রাইভেট কোম্পানী না। আমি দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রামের পরীক্ষিত কর্মী। আমি ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও যুবদলে করে বর্তমানে ২নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি। আমাকে কি কারণে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে তা আমার জানা নেই। আমাকে কোন কারণ দর্শানো নোটিশও দেয়া হয়নি।
তিনি বলেন, কি কারণে আমাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে তা খতিয়ে দেখার জন্য দলের সিনিয়ির নেতৃবৃন্দ ও হাই কমান্ডের নিকট আবেদন জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য, গত ২ নভেম্বর ২০২৬ইং এর হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকায় হবিগঞ্জ পৌর বিএনপির ২নং ওয়ার্ড শাখা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাপ খানকে বহিস্কারের খবরটি প্রকাশিত হয়। নিউজ সূত্রে দেখা যায়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে পৌর বিএনপির সভাপতি তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম আব্দুল আওয়াল স্বাক্ষরিত একপত্রে গোলাপ খানকে তার পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।