মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
হবিগঞ্জ জুড়ে সিএনজি ভাড়ার নৈরাজ্য মাত্রাতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ ঢাকা-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক উন্নীতকরণে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ বিতরণ ক্যালিফোর্নিয়ায় সংবর্ধনায় সভায় হুইপ জি কে গউছ ॥ প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে কমলগঞ্জের একজন জামান ইয়ামেনীর বর্ণাঢ্য জীবনী বর্তমান বিএনপি সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাসী-এমপি ফয়সল ভুয়া পরিচয়ে ভারতে বিয়ে ॥ স্ত্রীর নামে মোটা অংকের ঋণ নিয়ে বানিয়াচংয়ে পালালেন যুবক নবীগঞ্জের লহরজপুরে গ্রামে আলী হায়দর চৌধুরী পিতার স্মৃতির চাদর আকড়ে আছেন মাধবপুরে মোবাইল কোর্র্টে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা হবিগঞ্জ আদালতের কার্যক্রম পরিদর্শনে করলেন ২ বিচারক শায়েস্তাগঞ্জে অনলাইন জুয়া চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতার

বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনেই বর্জ্যের স্তূপ ॥ ডেঙ্গুর শঙ্কা

  • আপডেট সময় শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

বাহুবল প্রতিনিধি ॥ বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনেই জমে আছে বর্জ্যের স্তূপ। হাসপাতাল সংলগ্ন পুকুরের পাড় ও পানিতে ছড়িয়ে পড়েছে কচুরিপানা। জমে থাকা পানি ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে মশার প্রজনন বাড়ার আশঙ্কায় হাসপাতালের রোগী ও স্বজনদের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ৫০ শয্যাবিশিষ্ট বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও পাশের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। গুরুত্বপূর্ণ এ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সামনেই এমন অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন আমির উদ্দিন ও আলফু মিয়া বলেন, হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানের সামনেই যদি ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে এবং পুকুরে কচুরিপানা জমে মশার বংশবিস্তারের পরিবেশ তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। চিকিৎসা নিতে এসে রোগীর সঙ্গে থাকতে হয়। কিন্তু হাসপাতালের পরিবেশই যদি স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়। তারা দ্রুত বর্জ্য অপসারণ, পুকুরের কচুরিপানা পরিষ্কার এবং নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানের আশপাশে এমন অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ কোনোভাবেই কাম্য নয়। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম না থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহেল মারুফ ফারুকী বলেন, গত মাসে পরিষ্কার করিয়েছি, আবারও পরিষ্কার করাব।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে বলে দিচ্ছি, পরিষ্কার করানোর জন্য।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ
© All rights reserved © 2013-2026 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com