চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥ চুনারুঘাট উপজেলায় রয়েছে প্রায় সহস্রাধিক পোল্ট্রি ফার্ম। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মত লাভজনক ব্যবসায় স্বাবলম্বী হয়েছে অনেকেই। উন্মুক্ত হয়েছে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি এ উপজেলার মুরগীর মাংসের ও ডিমের সংকটও পূরন হচ্ছে। অত্র উপজেলায় শত শত বেকার এ ব্যবসায় যুক্ত হয়েছেন, মুক্ত হয়েছে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে। শত শত মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় সহস্রাধিক লেয়ার প্রজাতি ও ব্রয়লার প্রজাতির পোল্ট্রি ফার্ম রয়েছে। ২০০০ সালের শেষের দিকে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় পোল্ট্রি শিল্প লাভজনক ব্যবসায় পরিনত হয়ে এ অঞ্চলের মানুষ এ ব্যবসার দিকে আধুনিক প্রযুক্তিতে ঝুঁকে পড়ে। তাছাড়া ১ কেজি দেশীয় মুরগীর দাম যেখানে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা সেখোনে ১ কেজি ব্রয়লার মুরগীর দাম বর্তমানে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। অপর দিকে দেশী মুরগীর ডিমের তুলনায় হাইব্রিড প্রজাতির লেয়ার স্ট্রেইন মুরগীর ডিম অনেক বড় হয়। ফলে আর্থিক দিক থেকে লাভবান হওয়ার আশায় ক্রেতারা পোল্ট্রির ডিম বেশী কিনে থাকেন। এ উপজেলায় মাংস ও ডিমের চাহিদা পুরনের সঙ্গে সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ সব ব্রয়লার মুরগী ও ডিম চালান দিয়ে থাকে এ সব পোল্ট্রি মালিকরা। দেশের হবিগঞ্জ, মৌলভী বাজার, বি-বাড়ীয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মুরগী ও ডিমের আড়ৎদারগণ ফার্ম মালিকদের অগ্রিম বুকিং মানি দিয়ে থাকেন এবং প্রয়োজন অনুসারে নিয়ে যান মুরগী ও ডিম। ফলে পোল্ট্রি মালিকদের বিক্রির ব্যাপারে মাথা ঘামাতে হয় না। এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলার পোল্ট্রি মালিক সমিতির সদস্য সচিব উপজেলার সীমান্তবর্তী ২নং আহম্মদাবাদ ইউনিয়স্থ বগাডুবি গাউছিয়া বহুমূখী পোল্ট্রি স্বত্বাধিকারী শফিকুল ইসলাম তালুকদার (দুলাল) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি এ সমস্ত পোল্ট্রি ফার্ম ব্যবসার উন্নয়ন এর পদ্ধতি দেখে অল্প পুঁজিতে স্বাবলম্বী হওয়া যায় বলে জানান। সেই সুবাদে তিনিও ঐ পোল্ট্রি ফার্ম তৈয়ার করে ব্রয়লার মুরগী বিক্রয় করে অল্প পুঁজিতে স্বাবলম্বী হয়েছেন।