বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

গ্রিসে প্রবেশের সময় সীমান্তে নবীগঞ্জের এক যুবকের মৃত্যু

  • আপডেট টাইম বুধবার, ১ মে, ২০২৪
  • ২৩৩ বা পড়া হয়েছে

মতিউর রহমান মুন্না, গ্রিস থেকে ॥ ইউরোপের দেশ আলবেনিয়া থেকে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে গ্রিসে প্রবেশের সময় স্টোক করে হাফিজুর রহমান (৩০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে নিহতের মরদেহ পড়ে আছে আলবেনিয়ার রাজধাণী তিরানার মাদার তেরেসা হাসপাতালের মর্গে। নিহত হাফিজুর রহমান নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ পোষ্ট অফিসের অধীস্থ ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রাম জগন্নাথপুর উপজেলার গোতগাঁও গ্রামের আইয়ুব আলীর পুত্র। দেশে থাকাকালিন সময়ে ইনাতগঞ্জ বাজারে সব সময় চলাফেরা ছিল হাফিজুরের। গতকাল মঙ্গলবার নিহতের স্বজনরা জানান, মৃত্যুর খবরে তাদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। চলছে শোকের মাতম। তারা মৃহদেহ দেশে আসার জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন।
সূত্রে জানা যায়, উন্নত জীবনের আশায় গত ২৯ মার্চ ওর্য়াক পারমিট ভিসা নিয়ে ইউরোপের দেশ কসোভো যান সুনামগঞ্জের হাফিজুর রহমান। দেশটিতে কিছুদিন অবস্থান করলেও ভাষা ও পরিবেশের সাথে নিজেকে মানাতে পারেন নি। তাই ওই দেশ থেকে ইউরোপের আরেক দেশ গ্রিসে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন হাফিজুর। কারণ গ্রিসে রয়েছেন তার ভাই ও অনেক আত্মীয় স্বজন। এরপর কসোভো থেকে আরো কয়েকজন অভিবাসীর সাথে চলে যান সীমান্তবর্তী দেশ আলবেনিয়ায়। আলবেনিয়ায় গিয়ে দুই দিন হোটেলে রাত্রী যাপনের পর গত ২০ এপ্রিল দালালের মাধ্যমে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে গ্রিসে প্রবেশের চেষ্টা করেন হাফিজুরসহ ৫ বাংলাদেশি অভিবাসী। তার সঙ্গে থাকা অন্য অভিবাসীরা জানান, গ্রিস প্রবেশের সময় সীমান্তের পাহাড়ে হিট স্টোক করে মারা যান হাফিজুর। এ সময় দালাল তাকে হাসপাতালে প্রেরণ করে বাকি অভিবাসীদের নিয়ে গ্রিসে চলে যায়। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হাফিজুরকে মৃত ঘোষণা করে লাশ মর্গে প্রেরণ করে। এরপর গত ২৩ এপ্রিল মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে নিহতের পরিবার। ৩০ এপ্রিল সকালে নিহতের ভাই আব্দুর রহমান জানান, ‘অনেক কষ্ট করে ছোট ভাইকে ইউরোপের দেশ কসভোতে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু সে কসোভো থেকে গ্রিসে আসার পথে মারা গেছে। খবরটি আমি এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না। লাশ দেশে পাঠাতে আলবেনিয়া হাসপাতালে যোগাযোগ করছি আমরা। আইনি জটিলতায় এখনো কোন অগ্রগতি নেই’। এ ব্যাপারে গ্রিসে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর (শ্রম) বিশ্বজিৎ কুমার পাল জানান, ‘নিহতের পরিবারের লোকজন যোগাযোগ করেছে। আমরা আলবেনিয়ায় যোগাযোগ করছি। লাশ দেশে পাঠানোর চেষ্টা চলছে।’

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com