শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর জশনে জুলুছে লাখো জনতার ঢল সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে হুইপ জি কে গউছ হবিগঞ্জে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস পালিত মাধবপুরে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাঁই ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় যুবক নিহত আশুগঞ্জে ভারতীয় চোরাই শাড়িসহ চুনারুঘাটের দুই যুবক গ্রেফতার নবীগঞ্জের পরিচিত মুখ মারুফ মিয়া আর নেই চুনারুঘাটে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুশে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস মাধবপুরে র‌্যাবের অভিযান ॥ বিপুল পরিমান এসকাফসহ নারী আটক

বানিয়াচঙ্গের রনপাগল পুকুর বিষধর সাপের অভয়ারন্য পানির দুর্গন্ধে অতিষ্ট জনজীবন

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৭০ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বানিয়াচং উপজেলার ২নং উত্তর পশ্চিম ইউনিয়নের আমীরখানী এলাকার বড়পুকুর প্রকাশিত রনপাগল পুকুরের পানি পচে ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। পানির দুর্গন্ধে পুকুরের পাড়ের বসবাসরতদের বাস করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। প্রায় ৬/৭ একর এলাকাজুরে পুকুর পাড়ের আমীরখানী লম্বাহাটি ও খাগশ্রী গ্রামের অন্তত এক থেকে দেড় হাজার মানুষ প্রতিনিয়ত পচা পানির দুর্গন্ধ সহৃ করে আর মশা-মাছি সাপের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছেন। এসব কারণে তাদের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।
শত বছরের পুরাতন এই পুকুরের পানি ব্যবহার ও মাছ চাষাবাদ করে আসছিল এলাকাবাসী। পুকুরটি এলাকাবাসীর পক্ষে আমীরখানী ও খাগশ্রী গ্রামের বাসিন্দা হাজী হামিদুর রহমান, আইয়ুব উল্লা, মুতাব্বির আলী শা, ফিরোজ আলী শা, কদ্দুছ উল্লা, গোলাপ খা, আরজু মিয়া, আনুয়ার মিয়া, দারগা উল্লা, আবুল হোসেন, ইনচাব আলী, বাদশা মিয়া গং সহ কিছু অংশ বাংলাদেশ সরকারের নামে রেকর্ড হয়। পরবর্তীতে হবিগঞ্জ জেলা আদালতে এলাকাবাসীর পক্ষে হাজী হামিদুর রহমান গং একটি মামলা দায়ের করেন। ১৯৮৮ সালে সরকারের নামে রেকর্ড হওয়া অংশ হাজী হামিদুর রহমান গংদের নামে দেয়ার জন্য রায় প্রদান করেন আদালত। কিন্তু অদ্যবধি এলকাবাসীর নামে রেকর্ড সংশোধন করা হয়নি।
এলাকাবসীর অভিযোগ, গত ৩ বছর পূর্বে এসিল্যান্ড অফিস থেকে মোব্ইাল ফোনে বশির খাকে পুকুরে কাজ না করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। এরপর থেকে এলাকাবাসী পুকুর রক্ষনাবেক্ষণ না করতে পারায় কচুরিপানা জমা হয়ে মশা-মাছি ও বিষধর সাপের অভয়াশ্রম হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন বাড়িতে সাপ গুলো উঠে ইদুরের গর্ততে বাসা বাধছে। ফলে সাপের আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। গত তিনদিন পুর্বেও পুকুর পাড় এলাকার বাসিন্দা মুছা খার বাড়ী থেকে সাপুরের মাধ্যমে ৩টি বিষধর সাপ ধরা হয়েছে।
আমীরখানী গ্রামের মোঃ মতিউর রহমান বলেন, আমরা এই পুকুরের পানি ব্যবহার করতে পারি না। পানি হাতে লাগালে হাত চুলকাতে চুলকাতে ঘা হয়ে যায়। এমনকি এ পুকুরে পানি দ্বারা গরু-বাছুরও গোসলসহ কোনো কাজেই ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এছাড়া বিষধর সাপের ভয়ে প্রতিনিয়ত আতঙ্কিত থাকতে হয়।
আমীরখানী গ্রামের বশির খা বলেন, আমরা ছোট বেলা থেকে এই পুকুরটি ব্যবহার করে আসছি। গত ৩ বছর পূর্বে এসিল্যান্ড অফিসের বাধার কারণে কচুরিপানায় ভরে পুকুরটি ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। অথচ এলকাবাসীর মামলার প্রেক্ষিতে সরকারের নামে রেকর্ড হওয়া অংশ এলকাবাসীর নামে দেওয়ার জন্য আদালতের রায় থাকা সত্বেও কেন বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমরা এলাকাবাসী সাপ আতঙ্ক থেকে পরিত্রাণ চাই।
এব্যাপারে ২নং উত্তর পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দারুজ্জামান খান ধন মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন যাবত কচুরিপানা জমে পুকুরের পানি নষ্ট হওয়াসহ মশা-মাছি ও সাপের অভয়াশ্রম হয়েছে। দ্রুত এলাকাবসীসহ অংশীদারদের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com